শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০

অনিল ঘোষ।। পারক গল্পপত্র



অতঃপর সঞ্জয় নীরব রহিলেন। তখন ঘোর তমিস্রকাল। রাত্রি দ্বিতীয় প্রহর অতিক্রম করিতেছে। ঊর্ধ্ব আকাশে মেঘরাজির ইতস্তত আনাগোনা। তাই বুঝি তমসার রূপ এত গাঢ়, এত ঘন।মেঘের গমনাগমনের মাঝে দু-একটি নক্ষত্র চাহিয়া আছে বিষণ্ণ নেত্রে। নিম্নে ধরাতলের ঘটনায় শঙ্কিত বুঝি বা।

   না, এখন আর কোথাও আলোকরেখার চিহ্নমাত্র নেই।চরাচর যেন ঘোর অমানিশার পটচিত্র।কৌরব গৌরবমণ্ডিত হস্তিনাপুর আজ নীরব নিশ্চল, ঘোর কালিমায় আবৃত। লুপ্ত সমস্ত ঔজ্জ্বল্য, দৃশ্যমান বস্তুনিচয়।শুধু দূর হইতে ভাসিয়া আসিতেছে এক অদ্ভুত কলরব।একই সঙ্গে নারী শিশুর ক্রন্দনরোল, হাহাকার।আবার কখনও শোনা যাইতেছে নারকীয় উল্লাসধ্বনি।ব্যাঘ্র যেমন মেষ শিকার করিয়া উল্লাসে গর্জন করে, তেমন গর্জন উঠিতেছে ঘন ঘন। মনে হয় কোনও বীভৎস তাণ্ডবলীলার কুৎসিত রূপ ঢাকিবার উদ্দেশ্যে তামসরাজি আরও ঘন হইয়া উঠিতেছে।

   হস্তিনাপুর প্রাসাদশীর্ষের উন্মুক্ত চত্বরে বসিয়া সঞ্জয় এক্ষণে দৃষ্টি ফিরাইলেন। অদূরে ধৃতরাষ্ট্র ব্যাঘ্রচর্ম আসনে উপবিষ্ট।মৌন, প্রস্তরবৎ, যেন মৃতময় কোনও অবয়ব। সঞ্জয় একবার ভাবিলেন, তিনি কি ধৃতরাষ্ট্রের মৌনতা ভঙ্গ করিবেন? পরক্ষণেই ভাবিলেন, না থাক।

   সময় চলিয়া যায়। প্রাসাদপুরী নির্জন, নীরব। কোথাও কোনও মানুষের সাক্ষাৎ, এমনকী উপস্থিতির শব্দ নাই। শুধু জীবন্ত ওই দূরের ক্রন্দনরোল, হাহাকার, সেইসঙ্গে নারকীয় তাণ্ডবের উল্লাসধ্বনি।

   সহসা ধৃতরাষ্ট্র উঠিয়া দাঁড়াইলেন। দুই হাত ছড়াইয়া দিলেন দুই দিকে।পুনরায় আসনে বসিলেন। তাঁহার দৃষ্টিহীন মুখমণ্ডল এদিক-ওদিক চক্রাকারে ঘুরিতে ঘুরিতে সহসা থামিল।--

ধৃতরাষ্ট্র : সঞ্জয়--!

সঞ্জয় : আদেশ করুন মহারাজ।

ধৃতরাষ্ট্র : থামলে কেন? বলো বলো, তারপর কী হল?

সঞ্জয় : [দীর্ঘশ্বাস পতন] মহারাজ, বিবরণ দেওয়ার মতো আর কিছুই অবশিষ্ট নাই।যুদ্ধ শেষ হয়েছে।

ধৃতরাষ্ট্র : যুদ্ধ কি শেষ হয় সঞ্জয়!

সঞ্জয় : কৌরব পক্ষের সকল রাজা, সেনাপতি, সৈনিক, সক্ষম পুরুষ-- সকলেই পরাজিত, হতবল, মৃত, আহত।এরপর যুদ্ধের আর কী অবিশিষ্ট থাকে!

ধৃতরাষ্ট্র : যুদ্ধ জীবনব্যাপী, যুদ্ধ জগৎ জুড়ে।আমাদের প্রতিটি দিন, প্রতিটি মুহূর্ত যুদ্ধের জন্য নির্দিষ্ট। মানুষের প্রতি পদক্ষেপে, প্রতি নিশ্বাসে প্রশ্বাসে যুদ্ধের ঝনঝনা। যুদ্ধ এত সহজে শেষ হয় না সঞ্জয়।

সঞ্জয় : এখনও আপনি আশা করেন!

ধৃতরাষ্ট্র : মানুষ মাত্রেই আশার দাস।তুমি চক্ষু প্রসারিত করো।দেখো।হয়তো কোথাও আশার স্ফুলিঙ্গ এখনও আছে।ওই একটি স্ফুলিঙ্গই দাবানলের জন্য যথেষ্ট।

   সঞ্জয় সহসা হাসিয়া উঠিলেন।

ধৃতরাষ্ট্র : তুমি হাসছ কেন?

সঞ্জয় : আমার ধৃষ্টতা ক্ষমা করবেন মহারাজ।আসলে পরিস্থিতি এমন, যেখানে আশা নামক শব্দটিও হাস্যকর।

   ধৃতরাষ্ট্র আবার তাঁর আসনে বসিলেন।পরক্ষণেই উঠিলেন।অস্থির উত্তেজিত পদচারণা করিতে লাগিলেন।মুখমণ্ডল কখনও ক্রোধে রক্তিম, কখনও বেদনায় মলিন।নাসারন্ধ্র ঘন ঘন স্ফুরিত হইতেছে। দুই হস্ত কখনও বক্ষে, কখনও মস্তকে আঘাত করিতেছেন। কণ্ঠে অস্ফুট ‘আহ্ উহ্’ ধ্বনি।দ্রুত ফিরিয়া আসিলেন সঞ্জয়ের নিকট।

ধৃতরাষ্ট্র : সঞ্জয়--।

সঞ্জয় : মহারাজ।

ধৃতরাষ্ট্র : তোমার ভুল হচ্ছে না তো!

সঞ্জয় : আমার ভুল হওয়ার কোনও উপায় নেই।মহর্ষি ব্যাসদেব আমাকে দিব্যচক্ষু দিয়েছেন, আর দিয়েছেন সত্য বলার সাহস। আজ এই অষ্টাদশ দিবস ধরে কুরুক্ষেত্রের সকল বিবরণ আপনাকে শুনিয়েছি। কোনও তুচ্ছ, অকিঞ্চিৎকর ঘটনাও বাদ যায়নি আমার ভাষ্য থেকে।

   ধৃতরাষ্ট্র দীর্ঘশ্বাস ফেলিলেন।মস্তক আন্দোলিত হচ্ছে ঘন ঘন।দূরের ক্রন্দনরোল, উল্লাসধ্বনি আরও উচ্চকিত, আরও ষ্পষ্ট।

ধৃতরাষ্ট্র : সঞ্জয়, ও কীসের শব্দ?

সঞ্জয় : ওরা হস্তিনাপুরের নারী শিশু বৃদ্ধ বৃদ্ধার দল।

ধৃতরাষ্ট্র : কেন-কেন, ওদের কী হয়েছে?

সঞ্জয় : নিজভূমে আজ ওরা পরবাসী।পলায়ন করছে দিকবিদিকে, আর ওদের পশ্চাদ্ধাবন করছে উন্মত্ত পাণ্ডব সৈন্যের দল।আজ কারও রেহাই নেই।রাজপথে বৃদ্ধ বৃদ্ধার দেহ লুটিয়ে পড়ছে অস্ত্রের আঘাতে।শিশুদের পদযুগল বিদীর্ণ করে দুটি অংশে বিভক্ত করা হচ্ছে। আর নারী!তারা ধর্ষিতা হচ্ছে, এক-একটি নারীর উপর বুভুক্ষু ব্যাঘ্রের মতো ঝাঁপিয়ে পড়ছে পাণ্ডব সৈন্যের দল। কী উল্লাস তাদের!

ধৃতরাষ্ট্র : এসব তুমি কী বলছ সঞ্জয়!

সঞ্জয় : বলছি যা ঘটছে।

ধৃতরাষ্ট্র : মানে!

সঞ্জয় : পাণ্ডবপক্ষ এখন হস্তিনাপুর দখলের উল্লাসে মাতোয়ারা।

ধৃতরাষ্ট্র : আর ধর্মপুত্র যুধিষ্ঠির, ভীমসেন অর্জুন বাসুদেব-- এরা!

সঞ্জয় : ওরাও বিজয় উৎসবে শামিল হয়েছে।জয়ের উল্লাসে শিবিরে সুরাপানে মত্ত।বিহ্বল শরীরে পরস্পরকে আলিঙ্গন করে চলেছে।বাসুদেব গর্জন করছেন, আজ তোমরা জয়ী, আনন্দ করো, ফূর্তি করো, আজ কেউ বাধা দেবে না তোমাদের।বদলা নয়, হস্তিনাপুরের শাসনক্ষমতা বদলের আনন্দ উপভোগ করো।কিন্তু যুধিষ্ঠির উল্লাস চেপে রাখতে পারছেন না। পানপাত্র ঊর্ধ্বে তুলে বলে চলেছেন, ওরা আমাদের বনবাসে পাঠিয়েছিল, অজ্ঞাতবাসে থাকতে বাধ্য করেছিল, এতেও সন্তুষ্ট না হয়ে আমাদের হত্যা করতে চেয়েছিল।আমরা মরিনি। ওরা যেমন ইষ্টক বর্ষণ করেছে, আমরা সেই অস্ত্রে ওদের জবাব দিয়েছি।ভীমসেন বিশাল শরীর নিয়ে উন্মত্ত নৃত্যে মাতোয়ারা।সেইভাবে চিৎকার করে বলে চলেছে, এখন কষ্ট হচ্ছে, দুঃখ হচ্ছে! আমরা যখন অজ্ঞাতবাসে ছিলাম, তার কথা তো কেউ বলছে না।তখন তো কেউ আমাদের সহানুভূতি জানাতে আসেনি। আজ আমরা জয়ী। ওদের এমন শিক্ষা দিতে হবে আগামী দিনে যেন দেখা দূরে থাক, ভাবতে গেলেও ভয়ে আতঙ্কে কেঁপে ওঠে।নকুল বিকৃত স্বরে চিৎকার করছে, একটা কুরুও যেন পালাতে না পারে। ওদের পায়ের তলায় ফেলে দলে পিষে মারো।যারা আমাদের বিরুদ্ধাচরণ করেছে, তাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দাও, পুড়িয়ে দাও।সহদেব রোগগ্রস্তের মতো দাপাদাপি করছে আর বলে চলেছে, আমাদের ক্ষমতা আছে যখন দেখাব না কেন? সৈনিকগণ যাও ধর্ষণ করো, কেউ তোমাদের বাধা দেবে না। ওদের এমন শিক্ষা দাও যে আগামী দশ প্রজন্ম যেন মাথা তুলতে না পারে।সবাই দেখুক আমরা কী করতে পারি। ভারতবর্ষ বুঝুক পাণ্ডবদের বিরোধিতা করলে কী হয়।আর বীরশ্রেষ্ঠ অর্জুন বাসুদেবের কণ্ঠলগ্ন হয়ে বলছে, রণে আর প্রেমে কোনও অন্যায় নেই।জয়টাই যখন মুখ্য তখন জয়ের আনন্দ উপভোগ করা কি উচিত নয়!তুমি কী বলো সখা? বহুদিন পর আজ আমাদের সৈন্যরা যেন বাঁধনহারা মুক্তির আনন্দ পেয়েছে। তাকে কি বাধা দেওয়া উচিত? হ্যাঁ তুমি বলতেই পারো একটু সংযত হওয়া উচিত।কিন্তু এইসব দুরন্ত বালকদের কী করে শান্ত হতে বলব!ওদের আবেগ এখন বাঁধনছাড়া।বুঝতে পারছি এই সুযোগে দুষ্কৃতিরাও ঢুকে পড়ছে আমাদের পক্ষে।তাদের তুমি বাধা দেবে কী করে! আমরা জয়ী, আমাদের পক্ষ এখন ভারী হবেই।শুধু দুষ্কৃতি বলছি কেন, দেখছ না যারা এতদিন কৌরবের গুণগান গাইত, সেইসব বুদ্ধিজীবীর দল কেমন গিরগিটির মতো রঙবদল বেশবদল করছে!

ধৃতরাষ্ট্র : ছিঃ, এ কি যুদ্ধের বর্ণনা?

সঞ্জয় : যুদ্ধের অবসান হয়েছে মহারাজ। এবার পাণ্ডবদের নিয়মে বিজয় উৎসব শুরু হয়েছে।

ধৃতরাষ্ট্র : এ উৎসব নাকি বিজয়-সন্ত্রাস?

সঞ্জয় : যা বলেন।

ধৃতরাষ্ট্র : এই কি ধর্মযুদ্ধ?

সঞ্জয় : জয়ের ধর্ম। যে জয়ী ধর্ম তার। নিয়ম রীতি নীতি সে-ই ঠিক করে।আজ পাণ্ডবেরা সেই ধর্মই পালন করছে। কৌরব পক্ষ জয়ী হলে বোধহয় একই ঘটনা ঘটত।

ধৃতরাষ্ট্র : তবে মনুষ্যত্ব মানবিকতা সভ্যতা বিবেক ভদ্রতা-- এসব মিথ্যে?

সঞ্জয় : অন্তত বিজিতের কাছে মিথ্যে।যে জয়ী মনুষ্যত্ব মানবিকতা সভ্যতা তাদের। যেমন একদিন আপনার পুত্রগণ পাশাখেলায় জয়ী হয়ে পাণ্ডবদের উপর নিয়ম নীতি চাপিয়ে দিয়েছিল, সেদিন কেউ বলেনি সেটা অন্যায়। আর সেখান থেকেই যুদ্ধের বীজ রোপণ হয়েছে।মহারাজ, আজ ওরা জয়ী। তাই ধর্ম ওদের। নীতি ওরাই ঠিক করবে। এবার ওদের নিয়মে শান্তি আসবে।

ধৃতরাষ্ট্র : পাণ্ডবেরা অসহায় নারী শিশুর উপর অত্যাচার করছে কেন? ওরা তো কোনও অন্যায় করেনি।

সঞ্জয় : রাজার পাপে রাজ্য যায়-- এ কথা যেমন সত্য, তেমনই তার শিকার হয় অসহায় মানুষজন।কৌরবের পাপের বলি ওরা।এখানে মানবিকতা ন্যায় অন্যায়ের কথা কে বলবে! যুদ্ধ মানে শত্রু চিহ্নিতকরণ, প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অস্ত্রাঘাত।সে নারীই হোক, শিশুই হোক।এই তো যুগে যুগে হয়েছে।নারী মানে সৃষ্টির আধার।শত্রুপক্ষের নারীকে ধ্বংস করলে শত্রুর জন্ম রহিত হবে। শত্রুপক্ষের শিশুদের ধ্বংস করলে আগামী দিনে আর কারও সাধ্য হবে না বিরোধিতার, মাথা তুলে প্রতিবাদ করার।

   ধৃতরাষ্ট্র পুনরায় উন্মত্ত পদচারণা শুরু করিলেন।দূরের ক্রন্দনরোল এবার নিকটে। ধ্বনি স্পষ্ট-- বাঁচাও-বাঁচাও--।দূরে লেলিহান অনলশিখা দৃশ্যমান।সেইসঙ্গে মুহুর্মুহু বিজয়ীর বীভৎস জয়নাদ শোনা গেল।

ধৃতরাষ্ট্র : এসব কী হচ্ছে সঞ্জয়! আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না।

সঞ্জয় : [সহসা চক্ষুতে হস্ত দিয়া] ক্ষমা করবেন মহারাজ, আমি আর কিছুই দেখতে পাচ্ছি না।বোধহয় আমার দিব্যচক্ষুর শক্তি ফুরিয়েছে।যুদ্ধের অবসান হলে যা অনিবার্য। এ মহর্ষির কথা।আমার সম্মুখে পশ্চাতে, চারিপার্শ্বে এখন ঘোরতর অন্ধকার।

ধৃতরাষ্ট্র : ধ্বংস হবে, পতন ওদের অনিবার্য। এই নারকীয় মৃত্যু ধর্ষণ, নারীঘাতী শিশুঘাতী বিজয় উৎসব ওদের পতনের বীজ বপন করল।সঞ্জয়, তুমি তো জানো, নারী যখন ধর্ষিতা হয়, তখন দেশের বুকে সর্বনাশ নেমে আসে, শিশুর যখন রক্তপাত ঘটে, তখন দেশে সূচনা হয় অমঙ্গলের কাল।এ অনিবার্য তুমি দেখো। ধ্বংস-ধ্বংস--।

সঞ্জয় : ধ্বংসই কি শেষ মহারাজ, সৃষ্টি কি হবে না?

ধৃতরাষ্ট্র : কেন হবে না! সৃষ্টির গতি কে রোধ করবে?

সঞ্জয় : কিন্তু সৃষ্টি করবে কে!এই পুরুষহীন, জ্ঞান-বিজ্ঞানহীন জগতে নতুন প্রাণের সৃষ্টি কি সম্ভব? কে সেই মানুষ? কেউ তো নেই।

ধৃতরাষ্ট্র : যদি কেউ না থাকে তবে ধ্বংস অনিবার্য।ধ্বংস হবে সকল মনুষ্যত্ব, মানবিকতা, ধর্ম সমাজ সংসার। তবে আমি আশাবাদী, ধ্বংসের মধ্যেই আছে সৃষ্টির বীজ, পতনেই থাকে উত্তরণের ইঙ্গিত, বিনাশেই আছে নতুন প্রাণের গান।সঞ্জয়, তুমি দেখো, আজ যারা ক্ষমতার মদমত্তে অহংকারের বীজ বপন করছে, কাল তারা মুছে যাবে কালের স্রোতে, পথের ধূলায়।করুণাও তাদের করুণা করবে না।

   সঞ্জয় নির্বাক রহিলেন।ধৃতরাষ্ট্রের সংলাপ ক্রমে প্রলাপের মতন শোনাইতে লাগিল। তাঁর কণ্ঠস্বর ক্রমে মিশিয়া গেল নিকট ও দূরের নারকীয় উল্লাস আর করুণ হাহাকারের মধ্যে।



৩টি মন্তব্য:

  1. সময়োপযোগী একটি অসাধারণ ছোটগল্প৷ অতীতকে স্মরণ করিয়ে ভবিষ্যতের সাবধান বাণী৷ তবুও যুগে যুগে বিজয়ীর ধর্ম, শাসকের ধর্ম একই রয়ে গেল৷ চোরে না শোনে ধর্মের কথা৷

    উত্তরমুছুন
  2. চমৎকার ।অনিল ঘোষ নতুন গল্পের কাঠামো খুঁজতে শুরু করেছেন ।বড় গল্পকারের লক্ষণ এটা ।মহাকাব্যের আঙ্গিকে সাম্প্রতিক বলার জন্য অনিল কে অভিনন্দন ।

    উত্তরমুছুন
  3. বর্তমানের পরিস্থিতিকে এক অন্য ভাষ্যে তুলে ধরা...অসাধারণ।

    উত্তরমুছুন