শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০

সুকান্তি দত্ত।। পারক গল্পপত্র



সকাল থেকেই ভূতের উপদ্রব নিয়ে হইচই পড়ে গেল। এ পাড়ায় ‘শান্তিনীড়’, ‘সুখস্বপ্ন’ ইত্যাদি নামে কয়েকটি বহুতল ফ্ল্যাটবাড়ি যেমন আছে, তেমনই আছে একতলা দোতলা বাড়ি ও রেললাইন ঘেঁষা বস্তি।

ভূতের বদমায়েশি মূলত সবচেয়ে উঁচু সবচেয়ে অভিজাত ‘শান্তিনীড়’-এ। কাল রাত নটায় জেলার সেরা উকিল সমীর দত্ত যখন লকডাউনের সময়েও তার দুরন্ত প্রভাব খাটিয়ে জোগাড় করা হুইস্কির বোতল থেকে মেপে মেপে দু পেগ টেনে ঝিমঝিম মস্তিতে ভেটকি ফ্রাইতে কামড় বসাল, তখনই বোতলটা শূন্যে দুলতে দুলতে জানলা দিয়ে বেরিয়ে গায়েব হয়ে গেল! পাক্কা দু মিনিট হতভম্বের মতো বসে থেকে হাঁউমাঁউ চিৎকার করে বউকে ডাকল সমীর, রান্নাঘর থেকে ছুটে এসে সব শুনে বউ বলল, প্রচুর নেশা হয়েছে, এবার শুয়ে পড়ো!

তার কিছুক্ষণ পরেই চারতলার দক্ষিণের ফ্ল্যাটের মিতা সরখেল রেফ্রিজারেটর খুলে ডিপ ফ্রিজে রাখা পাবদা-কাতলা-ট্যাংরার তদারক করছিল, ঠিক তখনই সকালবেলায় কিনে আনা বাসমতী রাইসের প্যাকেটগুলো উড়তে উড়তে দরজা খুলে বেরিয়ে গেল! মিতা নৃত্যশিল্পী ও সিকি-সেলিব্রিটি। একটু আগেই ভেবেছিল, রান্নাঘরের টুকটাক কাজ সেরে লকডাউনের একঘেয়েমি কাটাতে ফেসবুক-লাইভ হবে। কিন্তু এ দৃশ্য দেখে সেই যে মূর্ছা গেল, ভাঙল আধঘণ্টা পর, তখনও তার বর চোখে মুখে জলের ঝাপটা দিয়ে বলে চলেছে, চুংকু মুংকু কী হল তোমার? প্রেশারের ওষুধটা খাওনি কাল?

তো, এইভাবেই গোটা ‘শান্তিনীড়’ জুড়ে নানা ফ্ল্যাটে অশান্তির কালো মেঘ! তবে একটি বিষয় নজর করতেই হয়, উড়ে উড়ে গায়েব হয়ে যাওয়া জিনিসগুলি, কয়েকটি ব্যতিক্রম সহ, সবই খাদ্যপানীয়, চাল- ডাল-তেল-নুন-বিস্কুট-মুড়ি-মাছ-মাংস-ডিম-ফল-কোল্ড ড্রিক্স–মদ ইত্যাদি।

রাতেই ফোনে ফোনে এই আশ্চর্য-ভয়াল অভিজ্ঞতার বিনিময় এবং সকালে লকডাউনের সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং গুলি মেরে গ্রাউন্ড ফ্লোরে কমিউনিটি হলে বুড়ো-ছুঁড়ো-মেয়ে-মদ্দ নির্বিশেষে উৎকণ্ঠিত জমায়েত। দু-একজন বাদে সকলেই একমত যে এমন কাণ্ডকারখানা ভূতপ্রেতদের পক্ষেই ঘটানো সম্ভব। কিন্তু সম্প্রতি এ বাড়িতে কেউ অপঘাতে মরেনি, আশেপাশে মরেছে বলেও কেউ মনে করতে পারে না। তবে হ্যাঁ, বছর তিন আগে একটি ছেলে গলায় দড়ি দিয়েছিল। সুতরাং ভূত হলে, সেই ছেলেটির অতৃপ্ত আত্মা হতেও পারে, কিন্তু তাদের পরিবারটি তো বেশ কয়েক মাস হল বাড়ি ছেড়ে চলে গেছে। সে যা হোক, ভূত তাড়াতে যাগযজ্ঞের যে প্রয়োজন এ বিষয়ে প্রায় সকলেই একমত।

দু-একজন অবশ্য বলছে, হতেও পারে এটা করোনা ভাইরাসের কোনও এফেক্ট, কেউ আরও এক ধাপ এগিয়ে বলছে, এটা চিনা বা আমেরিকান কোনও নতুন ভাইরাসের উপদ্রবও হতে পারে!

তো, পাঠক এইবার চুপিচুপি কেসটা আপনাদের জানিয়ে রাখা যাক। রেললাইন ধারের বস্তিতে থাকত পুটে, ওকে চেনেন তো? না, তা কী করে চিনবেন? তবে সব এলাকাতেই ওরকম দুএকটা পুটে থাকেই।

বেঁটে, রোগা, কালো, মুখভরতি দাড়ি, গায়ে সবসময় একটা বিচ্ছিরি ঘেমো গন্ধ। বস্তির শেষ প্রান্তের টালির ঘরটায় থাকত, সঙ্গে মা আর জন্মপ্রতিবন্ধী এক ভাই। পুটের কোনো দিনই নিয়মিত রোজগার বলে কিছু নেই, কখনও ক্যাটারিং, কখনও সাইকেলের দোকান, কখনও বার-রেঁস্তোরায় টুকটাক কাজ পায়। গত কয়েকমাস বেকার থাকার আগে শেষ কাজ করেছিল বাজারের সুলভ শৌচালয়ে, ঠিকাদার বদল হতেই কাজটা চলে গেল। মা কয়েক বাড়ি বাসনমাজা ঘরমোছার কাজ করে যা পায় তাতেই কোনোক্রমে চলছিল। মার্চ মাসের শেষদিকে লকডাউন, ছটা বাড়িতেই পুটের মাকে আসতে বারণ করে দিল। এপ্রিলের গোড়ায় মাস-মাইনে চাইতে গিয়ে, তিনটে বাড়িতে ঢুকতেই দিল না, লক ডাউন মিটে গেলে আসতে বলল।

চেনাজানা দোকান থেকে ক্রমশ মাল উধাও, কেননা ভদ্রলোকেরা বস্তা বস্তা চাল-ডাল ইত্যাদি মজুত করছে। ও দিকে রেশন দোকানেও লম্বা লাইন, একদিন পর আর মাল পাওয়া যাচ্ছে না। শোনা যাচ্ছে, রেশনে আসা অর্ধেক মাল নাকি কাউন্সিলার আর তার দলবল লুটে নিয়ে খোলা বাজারে বেচছে।

তো, এ অবস্থায় সারা বছরই কম-বেশি আধপেটা-খাওয়া পুটে ও তার মা-ভাই এবার পুরোপুরি না-খেতে পাওয়ার দলে পড়ল। মরিয়া পুটে সামান্য কিছু রোজগারের চেষ্টায় এদিক-ওদিক উথালপাথাল করে ছুটে বেড়াতে বেড়াতে একটা ধান্দা পেল বটে, কিন্তু সে-ধান্দায় এই লকডাউনের বাজারে খানিক রিস্ক আছে। তবে পেটের জ্বালার কাছে ওসব রিস্ক-টিস্ক দেশলাই কাঠির ছেঁকা থেকে বেশি কিছু নয়!

সারা বছর এই লেবুতলা ও আশেপাশের এলাকায় ব্ল্যাকে মাল বেচার রমরমা কারবার বোকা মল্লিকের। হুইস্কি-রাম-ভদকা-বিয়ার যে ব্র্যান্ডের চায় পেয়ে যায় চেনা খদ্দের, সময় বুঝে আর ব্র্যান্ড বুঝে কিছু বেশি দাম দিতে হয়। বোকার আন্ডারে বাড়ি বাড়ি মাল ডেলিভারি দেওয়ার কাজে জনা চার-পাঁচ খাটে, পুজো-টুজো ইত্যাদি উৎসবের সময় দু-চার জন টেম্পোরারি ছেলেপুলেও লাগে।

তা, লকডাউনের বাজারে বোকার কারবারে যেমন খদ্দেরদের ডিমান্ড প্রবল, তেমনই পুলিশের কড়াকড়ি, থানায় নতুন এক ওসি এসেছে কিছুতেই ম্যানেজ হচ্ছে না, সঙ্গে নানা মাপের মস্তানদের মাল ছিনিয়ে নেওয়ার কেসও আছে। বোকার কর্মচারী হেদু পুটেকে অফারটা দিল, পেটে তো দানাপানি জুটছে না, নগদ টাকা পাবি, আমার সঙ্গে যাবি, ব্যাগের মধ্যে মাল গ্যারেজ করবি আর জায়গা মতো ডেলিভারি! পারবি তো?

  পুটে ঘাড় নাড়িয়ে হ্যাঁ জানিয়েও বলে, পুলিশ ক্যালাবে না তো?

  একটু রিস্ক তো আছেই, তবে আমরা যারা সারা বছর লাইনে আছি তাদের পুলিশ চেনে, রাস্তায় বেরুলেই ধরবে, তোকে তো চেনে না!

সেদিন সন্ধেয় হেদুর সঙ্গে রেললাইন ধরে হাঁটতে শুরু করল। হাঁটছে তো হাঁটছেই, আধঘণ্টা হাঁটার পর পুটে বলল, আর কদ্দূর? এ তো লেবুতলা ছাড়িয়ে গেলাম!

  হেদু গলা নামিয়ে বলে, বোকাদা গুদাম চেঞ্জ করেছে, চেনা জায়গায় রাখলে নানা বাওয়াল, দাদা-পুলিশ-খদ্দের, বুঝলি না!

  পুটে ঘাড় দোলায়, হাওয়াই চটিতে রেললাইনের খোয়াপাথরে পা স্লিপ করে বারবার, তারপর আরও খানিকটা এগিয়ে থেমে যেতে হয়। লেভেল ক্রসিং-এ পুলিশ, পেরোতে গেলে যদি ধরে! পাক্কা দেড় ঘণ্টা রেললাইন পাড়ে ঘাপটি মেরে বসে থাকার পর একটা মালগাড়ির যাওয়ার ফাঁকে ফের এগোতে পারল। কিন্তু গুদাম থেকে সে-রাতে মাল না-এনে পরদিন বেরোবে ঠিক হল, কেন না বোকাদার কাছে খবর এসেছে রাতে রাস্তায় রিস্ক আছে!

হেদু ও আরও কয়েকজনের সঙ্গে ঝাল-ঝাল কষা চিকেন আর বাংলা পাইট শেষ করতে করতে পুটের হঠাৎ ভারী কান্না পেয়ে গেল লেবুতলার উল্টোদিকে মানে রেললাইনের পশ্চিমপাড়ে খানকিপাড়ার বুলবুলির কথা মনে করে। সে কি কান্না! পুটে যত কাঁদে বাকি সবাই তত হাসে। গত দুবছরের মধ্যে যখনই দুচার পয়সা বাড়তি এসেছে হাতে, পুটে সোজা চলে গেছে বুলবুলির ঘরে। শেষ দেখা হয়েছিল মাস তিন আগে।

বাংলা মালের পরিমাণ বেশি হয়ে কিনা কে জানে, পুটের হেঁচকি উঠতে শুরু করল, আর মাঝরাতেই অক্কা! তো, মরে ভূত হয়ে দিন কয়েকের মধ্যেই যখন ডিউটি বুঝে নিতে ভূতরাজার সামনে দাঁড়ালো তখন পেত্নিরানির কাছে ঝাড় খেয়ে রাজার মন ‘কিচ্ছু ভাল্লাগছে না’- গোছের!

  বিয়ে করেছিলি?

  পুটে মাটিতে শুয়ে পড়ে পেন্নাম ঠুকে ঠুকে বলে, আজ্ঞে না হুজুর!

  হুম! খুব ভালো করেছিলি, নাচ গান কিছু জানিস?

  সেরম কিছু নয়, ওই দুগগাপুজো কালীপুজোর ভাসানে চোলাই টেনে নাচটাচ—

  বুঝেছি, তাই-ই দেখা, যদি মন ভালো হয়ে যায়, তবে বর দেবো একখান।

  পুটে মনে মনে ‘জয় বাবা পভু দেবা’ বলে নিয়ে ঢোঁক গিলে বলল, যদি ওই গানটা বাজত—

  কোনটা?

  ওই—মুকাবলা মুকাবলা—

  ভূতরাজা বাতাসে আঙুল দিয়ে ইশারা করতেই শুরু হয়ে গেল—হু রা রা হুইয়া রা রা—মুকাবলা মুকাবলা—আর পুটের উদ্দাম নাচ।

ভূতরাজার মন এতই ভালো হয়ে গেল যে নিজেই নাচতে শুরু করল, সঙ্গে পারিষদরাও। একবার নয়, গানটা বাজল মোট দশবার। জিভ বের করে হাঁফাতে হাঁফাতে পুটে বর চাইল। কী বর? লেবুতলার ভদ্রলোকদের সঙ্গে খুজলি মানে উৎপাত করার স্বাধীনতা! ভূতরাজা প্রথমে রাজি হচ্ছিল না, পুটে নাছোড় বান্দা, শেষমেষ বলল, ঠিক আছে, এই এখন রাত আটটা থেকে কাল রাত আটটা পর্যন্ত, আর… বেশি বাড়াবাড়ি নয়।

তো, সে রাতে পুটের উৎপাতের কথা ইতোমধ্যেই পাঠক জেনেছেন। সকালবেলায় রেললাইন ধারের বস্তিতে আবার অন্য ছবি। কাল রাতে ভূতে এসে চাল-ডাল-তেল-মশলা সহ রান্না করা খাবার রেখে গেছে, এমন কি কোনো কোনো চোলাই-বাংলাখোরের ঘরে বিলিতি বোতলও পাওয়া যাচ্ছে। খাবার দেখে পুটের মা পুটের নাম করে চোখের জল ফেলছে আর ভাই মুখ দিয়ে একটানা আ-হা-হা-হা শব্দ করে তার ফুর্তি জানাচ্ছে।

ক্রমে ক্রমে পুলিশের কানেও খবর পৌছাল, কিন্তু ভূতের বিরুদ্ধে তো কিছু করার নেই, তাই  বস্তিতে এসে হম্বিতম্বি করতেই পিঠে পড়ল দমাদম ভূতের লাঠির বাড়ি, বস্তির সবাই খিঁকখিঁক-খ্যাঁকখ্যাঁক-হাহা হাসতে  হাসতে বলল, দ্যাখ কেমন লাগে!

ও দিকে বেলা বাড়তেই লেবুতলা জুড়ে আরও নানা ভূতুড়ে কাণ্ড! কাউন্সিলার রেশনের মাল চুরি করে যে-ঘরে রেখেছিল সে-ঘরে লাগল আগুন, তার বেডরুমের আলমারি থেকে তাড়া তাড়া নোটের বান্ডিল হাওয়া!

'শান্তিনীড়’ –এর পাশেই বহুতল বাড়ি ‘সুখস্বপ্ন’। সকাল থেকেই সেখানে হেভি ক্যাচাল! চারতলার একটা ফ্ল্যাটে চার নার্স থাকে, মাইল কয়েক দূরে প্রাইভেট হাসপাতালে কাজ করে, সে-হাসপাতালে করোনা রোগিও আছে, তাই ‘সুখস্বপ্ন’-র বাকি বাসিন্দারা ঠিক করেছে ওদের আর থাকতে দেওয়া হবে না। পুলিশ এসে বুঝিয়েসুঝিয়েও কিছু করে উঠতে পারছে না।

শুরু হল ভূতের উৎপাত। কারো গায়ে এসে পড়ল ড্রেনের নোংরা জল, কেউ হাতে পায়ে খেল সিগারেটের ছ্যাঁকা, এক মহিলার মাথার চুল ধরে ঝাঁকিয়ে দেওয়া হল, কারো লুঙ্গিতে আগুন ধরে গেল! ভয় পেয়ে সবাই যে যার ঘরে ছুটল, নার্সদের নিয়ে কেউ আর মাথা ঘামাতে রাজি নয়।

এরপর ভূতুড়ে কাণ্ড শুরু হল মিনতি মেডিক্যাল সেন্টারে। কদিন ধরেই অভিযোগ যে ওখানে মাস্ক, গ্লাভস, স্যানিটাইজার ইত্যাদি অনেক বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। দুপুরবেলায় দোকান তছনছ, মাস্ক, গ্লাভস, স্যানিটাইজার সব গায়েব হয়ে জমা হল রেল বস্তির ঘরে ঘরে।

গত প্রায় কুড়ি ঘণ্টা ধরে নানা কাণ্ড ঘটিয়ে ভূতপুটে ক্লান্ত হয়ে ঝিমোতে লাগল ‘শান্তিনীড়’ –এর জলের ট্যাংকের ওপর, ঘুমিয়েও পড়ল। ঘণ্টা তিন ঘুম দেবার শেষ দিকে স্বপ্নে দেখল বুলবুলিকে। বুলবুলির পরনে গোলাপি নাইটি, ঠোঁটে গোলাপি লিপিস্টিক, কিন্তু গাল দুটো যেন গর্তে বসে গেছে, চোখের কোণে কালি। ঘুম ভেঙে ধড়মড় করে উঠে বসল। সত্যিই, বুলবুলির কথা মনে পড়া উচিত ছিল, ওর কি খাওয়া জুটছে? এখন খদ্দের নেই, কী করে বাঁচবে?

কিন্তু হাতে তো আর বেশি সময় নেই, ভূতরাজার কাছে ফিরে যেতে হবে আটটার মধ্যে, ডিউটি বুঝে নিতে হবে। এক মিনিট দেরি হলেই ভূতরাজার পেয়াদা এসে কান পাকড়ে ধরে নিতে যাবে। পুটে উঠে দাঁড়ায়, বুলবুলির জন্যে যা হোক কিছু ব্যবস্থা করতে হবে। কিন্তু ভূতরাজার পেয়াদারা এসে বলে, চল, রাজা মশাই ডাকছেন।

এখনও সময় হয়নি তো!

  রাজামশাই রেগে আছেন, তোকে বাড়াবাড়ি করতে বারণ করেছিলেন, তুই যা করেছিস সব কানে গেছে।

  বাড়াবাড়ি? কী করেছি, মানে আমি তো তেমন…

  মেলা বকবক করিস না, ব্যাটা বস্তির নোংরা ভূত! ভদ্রলোক বড়োলোক ভূতেরা সব ছিঃ ছিঃ করছে, রাজামশাই উনি, রাজামশাই, বুঝিস তা? বলতে বলতেই পেয়াদারা দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলল পুটেকে। 

  পুটে শুধু বিড়বিড় করে, বুলবুলি বুলবুলি!



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন