শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২০

সুমনা ভট্টাচার্য্য


ডাক্তার নিহারিকা ঘোষ,শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ।নিজের এলাকা ছাড়াও পাশের কটা এলাকাতে বেশ পরিচিত একটা নাম নীহারিকা।দু দুটি সন্তানের মা সে।স্বামী একটা বেসরকারি কোম্পানির উচ্চপদস্থ কর্মচারী।বেশিরভাগ সময়ই বাইরে থাকেন।আজ সন্ধ্যে থেকেই নীহারিকা বড্ড বেশি আপসেট।শান্তশিষ্ট,ভদ্র-নম্র,কম কথা বলা একটা মানুষ নিজেরই অজান্তে কখন যে অন্য কোন মানুষের চোখের বিষ হয়ে দাঁড়ায় সে নিজেও টের পায় না।আজ সন্ধ্যেবেলা একটা ফোন এলো নীহারিকার ফোনে।ওপার থেকে কোন এক পুরুষ কণ্ঠ বললো,
"ডক্টর নিহারিকা ঘোষ বলছেন?"
এদিক থেকে উত্তর গেলো,
"হ্যাঁ।"
পুরুষ কন্ঠ বললো,
"কী ম্যাডাম?আপনি নাকি চেম্বার করছেন না?কি ব্যাপার করোনার ভয়ে একেবারে গুটিয়ে গেলে হবে?এই পেসেন্ট পার্টি আছে বলেই তো আপনাদের মতো ডাক্তারেরা করে কম্মে খাচ্ছেন।পরিষেবা যদি একেবারেই দিতে না পারেন,তাহলে ডাক্তারিটা ছেড়ে অন্য কিছু করুন।"
নীহারিকা ভীষণ উদ্বিগ্ন হয়ে জানতে চাইলো, ওপারের মানুষটি কে?নিজের পরিচয় অজ্ঞাত রেখে সে মানুষটি বললো,
"আমি কে সেটা জেনে আপনার খুব একটা লাভ নেই ম্যাডাম।পেশেন্ট ফোন করছে তার বাচ্চার জন্য।আপনি চেম্বার করছি না বলে খালাস হয়ে যাচ্ছেন।নতুন পেসেন্ট নাকি আপনি দেখবেন না।ধরুন,আপনার ঘরের ছেলেটার পেটের অ্যাপেন্ডিক্সটা বাস্ট করলো।অসহ্য পেটে যন্ত্রণায় কাতরাতে কাতরাতে মরেই গেলো।কিন্তু লকডাউনের জন্য আপনি কোন সার্জেন পেলেন না।তখন আপনার কেমন লাগবে ম্যাডাম?ডাক্তারি পড়ার সময় কি সব শপথ নিয়েছিলেন না?"
ঠিক এই ভাবেই সমাজের চারপাশের মানুষরা ভাবে।হয়তো ডাক্তার সম্পর্কে সাধারণ মানুষের ভাবনাটা ঠিক এইরকমই।এতদিনের ডাক্তারী জীবনে এটুকু তো নীহারিকা বোঝেই।তাই খুব শান্ত ভাবে নীহারিকা বললো,
"আমার ফোনের কলারআইডিতে আপনার যে নামটা উঠছে,তাতে আমি আপনাকে একেবারেই চিনতে পারছি না।কিন্তু আপনাকে একটা কথা বলি,সকাল আটটা থেকে রাত সারে এগারোটা অব্দি ফোনের মারফত আমি আমার সমস্ত পেশেন্টদের এটেন্ড করছি,বিনা পারিশ্রমিকে।হ্যাঁ,এটা ঠিক আমি নতুন কোন পেশেন্ট দেখছি না কারণ ছোট মানুষ না দেখে আমি চিকিৎসা করতে চাইনা।"

ওপার থেকে পুরুষকন্ঠ নীহারিকা কে থামিয়ে গলা উঁচিয়ে বললো,
"আপনি কাজটা মোটেই ভালো করছেন না। এই সময়ে যে সমস্ত ডাক্তাররা চেম্বার বন্ধ করে ঘরের দরজা লাগিয়ে বসে আছেন, তারাই তো লকডাউনের পর আবার হাতে বাটি নিয়ে চেম্বারে বসবেন।চারদিকে যেভাবে ডাক্তাররা প্যাদানি খাচ্ছে,তার যথার্থ কারণ আছে।তাই বলছি মনুষ্যত্ব টাকে একটু জাগান।"
 আর কথা না বাড়িয়ে নীহারিকা ফোনটা রেখে দিলো।খুব অসম্মানিত বোধ হলো নীহারিকার।পাশের ঘর থেকে ছ বছরের রাই চিৎকার করে ডাকলো,
 "মা তাড়াতাড়ি এসো।দাদা কেমন একটা করছে।"
               
নীহারিকার প্রথম সন্তানের নাম হলো তান্না,বয়স দশ।জন্মের পর থেকেই কোনো অসুখ বিসুখ হলে অনেকদিন ধরে ভোগে তান্না।এজন্য প্রতিবেশীদের কাছে তান্নাকে প্রায়ই শুনতে হয়,ডাক্তারের ঘরে সর্বদা রোগ লেগে আছে।কে বোঝাবে এই সাধারন মানুষকে যে,রোগ ডাক্তার-উকিল-ব্যবসায়ী-শিক্ষক মানে না।আসলে তান্নার ইমিউনিটি পাওয়ারটা খুব কম।যেদিন থেকে পশ্চিমবঙ্গে লকডাউন শুরু হয়েছে,তার তিন চারদিন আগে থেকেই তান্নার ভীষণ রকমের জ্বর।নীহারিকার মাথায় সবসময় একটা কথাই ঘুরছে,যাদের ইমিউনিটি পাওয়ার কম তাদেরকেই কিন্তু করোনা আঁকড়ে ধরছে।তার ওপর স্বামী মানুষটা লকডাউনের জেরে অন্য রাজ্যে আটকা পড়ে আছে,বাড়ি ফিরতে পারছে না।সবমিলিয়ে ভীষণ রকম খারাপ লাগা নিয়ে নীহারিকার দিন কাটছে।
               
এতদিনে মোটামুটি সবার জানা হয়ে গেছিলো,চীনে করোনা নামক মহামারীতে শয়ে শয়ে মানুষ মরছে।আরো অনেক দেশের মানুষ এফেক্টেড।নীহারিকার মনে হয়েছিলো, তার সন্তানদের কথা ভেবে এই মুহূর্তে তার চার দেয়ালের ছোট্ট চেম্বারে না যাওয়াই ভালো।শুধু তার সন্তান কেনো,চেম্বার করা মানেই অনেকগুলো মা তাদের সন্তানকে নিয়ে তার চেম্বারে আসবেন।তার চেম্বারের পরিকাঠামো এতোটাও ভালো না যে দূরত্ব বজায় রেখে দশ-বারোটা মা তার বাচ্চাদের নিয়ে বসতে পারে।আর যেখানে বারবার অন্য ডাক্তারেরা বলছেন,দূরত্ব মেন্টেন করাই হচ্ছে একমাত্র ওষুধ।নীহারিকার মনে হয়েছিলো,এই মুহূর্তে চেম্বার বন্ধ রেখে ফোনের মারফতে পরিষেবা দেওয়াটাই একমাত্র বুদ্ধিমানের কাজ। নীহারিকার অন্যান্য কলিগরাও একেবারে ঘরে বন্দি আছে।আরে আগে তো নিজে বাঁচবে,তারপর তো অন্যকে বাঁচাবে।সেটা তার সন্তানের জন্য যেমন ভালো,অন্য বাচ্চাদের জন্যও ভালো।
               
কদিন ধরেই তান্নার শরীর একটু বেশিই খারাপ।বমি করছে,মাথা ব্যথা করছে। কিন্তু মা নীহারিকা একেবারে নিশ্চিত,আর যাই হোক করোনা হয়নি।আসলে মায়েরা খারাপটা ভাবতেই পারেনা।তার কাছে খানিকক্ষণ বসে মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে কখন যে চোখ লেগে গেছিলো,বুলাদি আলতো করে না ডাকলে হয়তো ঢুলতে ঢুলতে পড়েই যেতো।নীহারিকার সাথে বুলাদি আজ প্রায় দশ বছর ধরে আছে।বুলাদি আমতা আমতা করে বললো,
"দিদি আমার মেয়ে ফোন করেছিলো।ও ফেসবুকে যেন কি একটা দেখেছে,ডাক্তারদের নিয়ে।কোন বাচ্চাদের ডাক্তার চেম্বার করছে না তাই নিয়ে।তোমার একটা ফোন এলো না?কাকে যেন কি সব বলছিলে?দেখোনা তোমার ফেসবুকটা খুলে কাকে নিয়ে লিখলো?"
ভীষণ বিরক্ত হলো নীহারিকা।বুলাদিকে ধমকে বললো,
"উফ বুলাদি,তুমি না ভাবতেও পারো।আমার মতো একটা সাদামাটা ডাক্তারকে নিয়ে কেউ ফেসবুকে কিচ্ছু লিখবে না।যাও খাবার গরম করো।ঠান্ডা খাবার খেতে আমার একেবারে ভাল লাগেনা।তুমি জানো তো?তাই একটু ভালো করে গরম করো।"

কথা শেষ করতে না করতেই নীহারিকার ফোন বাজলো।কোন এক পেশেন্টের ফোনে ব্যস্ত হয়ে গেলো নীহারিকা।
ওদিকে বুলা দিও গজ গজ করতে লাগলো, "রোজ খাবার সময় ফোন আসবে।গরম করা খাবার ঠান্ডা হয়ে যাবে।পেশেন্ট দেরও বলিহারি।সাড়ে দশটার সময় কি এতো কথা ডাক্তারের সাথে?জানিস তো তার দুটো ছেলেমেয়ে আছে।তার নিজের একটা জীবন আছে।আর পারা যায় না।"
ঠিক এমন সময় বেল বাজলো।নিচের তলার রমাজেঠি।কথা শেষ করে নীহারিকা বাইরের ঘরে এসে রমাজেঠিকে দেখে বললো,
"জেঠিমা,এখন আর একেবারে বাইরে বেরোবেন না।একটু ঘরে থাকতে হবে।দূরত্ব বজায় রেখে না চললে সকলের বিপদ হতে পারে।"
পান চিবাতে চিবাতে রমাজেঠি নীহারিকা কে বললো,
"এই তুমি নাকি চেম্বার করছো না?আমার নাতনি ফেসবুকে দেখলো,ডাক্তারেরা চেম্বার করেনি বলে কি সব লিখেছে।তা বাপু তোমাদের মতো মানুষ যদি ঘরে বসে থাকো, তাহলে যাদের বাচ্চা কাচ্চা অসুস্থ হচ্ছে তাদের চলে কি করে?"
নীহারিকা অবাক হয়ে বুলাদির দিকে তাকালো।মনে মনে একটা সংশয় জাগলো।ঘরের ভিতরে গিয়ে নিজের ফোন ঘাঁটতে শুরু করলো।
বুলাদি রমাজেঠিকে বললো,
"জেঠিমা,অনেক রাত হয়েছে।আর হসপিটালের আউটডোর গুলো খোলা আছে। তাই দিদিদের মতো ডাক্তারেরা না বসলে কোনো অসুবিধা হবেনা।দিদি খাবে আর তান্নারও খুব শরীর খারাপ।রাইয়ের খুব ঘুম পেয়েছে।তোমার আবার ওই সিরিয়াল টা আরম্ভ হয়ে যাবে।"
রমাজেঠি চলে গেলো।কিন্তু নিহারিকার মন উসখুস করতে লাগলো।কুড়ি মিনিট ধরে ফেসবুক খুঁজেও কিছুই দেখতে পেল না।হোয়াটসঅ্যাপে অনেকগুলো গ্রুপ আছে, সেখানে ঘাটতে ঘাটতে একটা লিংক পেলো।চেম্বার না করার জন্য ডাক্তারদেরকে তীব্র আক্রমণ।ওই আর্টিকেলটাতে কোথাও কোনো ডাক্তারের নাম লেখা নেই।
                 
কিন্তু আজ সকালে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনা নীহারিকাকে বিশ্বাস করতে বাধ্য করলো,যে সেখানে পাঁচটা ডাক্তারের মধ্যে একটা ডাক্তার সে।আজকে সকালবেলায় এক ভদ্রলোক ফোন করেছিলেন,
"হ্যালো,নিহারিকা ম্যাডাম?আমি অলোক বলছি।আমার বাচ্চাকে দেখাতে চাই।প্রচন্ড পেট খারাপ,মনে হচ্ছে ডায়রিয়া।"
নীহারিকার প্রথম প্রশ্নই ছিলো,
"আগে কখনো দেখিয়েছেন আমাকে?"
অলোকবাবু বললেন,
"হ্যাঁ দেখিয়েছি।"
নীহারিকা বাচ্চার সমস্ত অসুবিধার কথা শুনে বললো,
"আমি যে দোকানে বসি,ওইখানে চলে যান। আমি ওষুধ বলে দিচ্ছি আর যদি আজকের মধ্যে না কমে তাহলে অবশ্যই কাল হসপিটালে বা নার্সিংহোমের এমার্জেন্সিতে দেখাতে হবে।" অলোকবাবু বললেন,
"আপনি কোন দোকানে বসেন?"
খুব স্বাভাবিকভাবেই নীহারিকা জিজ্ঞেস করলো,
"আপনি তো আমাকে আগে দেখিয়েছেন।আপনি জানেন না,আমি কোন দোকানে বসি?"
অলোকবাবু বললেন,
"আমি আপনাকে আগে বাচ্ছা কখনো দেখাইনি ম্যাডাম।আজ দেখাতাম।ওটা একটু মিথ্যে বললাম।"
নীহারিকা খুব শান্ত একটা মানুষ।নম্র ভাবে উত্তর দিলো,
"কিছু মনে করবেন না,আপনি অন্য কোথাও দেখান।যে বাচ্চাকে আমি কোনদিনও দেখিনি সে বাচ্চাকে না দেখে আমি ওষুধ দিতে পারিনা।"
এই কথা বলে নিহারিকা ফোন রেখে দিয়েছিলো।যে লেখাটার জন্য রমাজেঠি এত রাতে বাড়ি ছুটে এলো,সেই লেখাটায় একটা ডায়রিয়ার বাচ্চার কথা আছে।তারপর ঘণ্টা দুই আগে আসা সেই অচেনা কণ্ঠস্বর।যে কিনা ডাক্তারদের বাটি নিয়ে বসার কথা বলে।সবকিছু মিলেমিশে নীহারিকার দৃঢ় বিশ্বাস হলো,এ লেখা তাকে নিয়েই।
               
 বুলাদি খাবার জন্য ডাকতে এলে নীহারিকা বলে,শরীর খুব অস্থির লাগছে। রাতে আর খাবেনা।ঘর থেকে বেরিয়ে যাবার সময় ছল ছল চোখ নিয়ে বুলাদির হাতটা চেপে ধরে নীহারিকা বললো,
"আমার কি এখন চেম্বার করাটা খুব দরকার বুলাদি?আমার খুব অসহায় লাগছে।সত্যি আমার কি করা উচিত?এতদিনের অর্জন করা সম্মান!শুধুমাত্র অচেনা পেশেন্ট দেখতে চাইলাম না বলে,একটা অচেনা লোক এতগুলো খারাপ কথা শোনালো?
কোথাও তো আমি মা।মা হিসাবে আমি ওদের নিরাপত্তা দেবো,সেটাইতো এই পরিস্থিতিতে ওদের কাছে একমাত্র কাম্য।"
নীহারিকার থেকে বয়সে অনেক বড় বুলাদি হাতের উপর হাত রেখে নীহারিকাকে বললো,
"প্রতিটা মানুষই এইরকম।নিজের জিনিস বুঝে নিতে সে কোনরকম আপোস করে না।তুমি দশ দিন ভালো করে যদি একদিন খারাপ করো,তোমার খারাপটাকেই সে মনে রাখবে।আগের ভালোটা মলিন হয়ে যাবে।তাই এখন তুমি তান্নাদাদা আর রাইদিদির কথা ভাবো।"
নীহারিকা বললো,
"কিন্তু আমি তো একজন ডাক্তার।এরকম দুর্দিনে মুখ ঘুরিয়ে আমি কি সত্যি অন্যায় করছি না?
বুলাদি বললো,
"জলখাবার,দুপুরেরখাবার,রাতের খাবার কোনো দিন সময়ে খাও?চেম্বার করতে করতে কোনোদিন কোনোদিন তো দুপুরে শুকনো বিস্কুট খেয়ে থেকে যাও।যারা তোমার সামনে হেসে হেসে কথা বলে,তারাই আবার তোমার এই না খেয়ে থাকাকে অর্থ রোজগারের নেশা বলে তামাশা করে।তুমি শিক্ষিত বুদ্ধিমান এড়িয়ে যাও।কিন্তু আমিতো জানি একটা ছোট মানুষের অসুস্থতার কথা শুনে তুমি কি রকম আনচান করো।এইতো সপ্তাহ দুই আগে গলার ভাত নাক দিয়ে বেরিয়েছিলো।কেন?খেতে খেতে ফোনে কথা বলছিলে কোন এক ছোট বাচ্চার মায়ের সাথে।সাংঘাতিক বিষম লেগেছিলো।তোমার মনে নেই,ওই যে বার তোমার পায়ের বুড়ো আঙুলে অপারেশন হলো তুমি ওটি থেকে বেরিয়েই ফোনে কথা বলছিলে।যে ডাক্তারবাবু অপারেশন করেছিলেন,তিনিও তোমাকে নিষেধ করছিলেন।তুমি ইশারা করে ওই ডাক্তারবাবুকে বললে,দু মাসের বাচ্চা একটু কথা বলে নি।তারপর তান্নাদাদা আর রাইদিদি যখন খাইয়ে দেবার জন্য বায়না করে,তখন মাঝে মাঝেই তোমার ইমার্জেন্সি কল আসে।তুমি তাড়াহুড়ো করে খাওয়াও।তান্নাদাদা রেগে যায় আর রাইদিদি অতো তাড়াতাড়ি খেতে পারেনা।আমার হাতে দুটোকে রেখে বেরিয়ে যাও।বাড়িতে এসে দেখো দুটো ছেলেমেয়ে গোমড়া মুখ করে বসে আছে।এই ফোনে কথা বলার জন্য দাদাও মাঝে মাঝে রাগ করে।কিন্তু পেশেন্ট পার্টি কেন সেটা বুঝবে?তুমি তো ডাক্তার।ডাক্তার মানেই অসময়ে হাত বাড়ালেই পাওয়া যায়, আর অসময় ফুরিয়ে গেলেই অর্থপিশাচ চামার।আর আজকে তো শুনে নিলে ডাক্তার মানে করোনাকে ভয়ও পায়।তাই ওসব বাদ দাও।"

বুলাদির কথাগুলো শুনে নীহারিকা মনে খুব শান্তি পেলো।আত্মবিশ্বাস আরো দৃঢ় হলো, আর যাই হোক সে স্বার্থপর নয়।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন