সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২০

সাধন চট্টোপাধ্যায়ের মুখোমুখি প্রগতি মাইতি


সাধন চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম ১৯৪৪ সালে বর্তমান বাংলাদেশের বরিশাল জেলায়।  পড়াশুনো করেছেন পদার্থবিদ্যা নিয়ে।  বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।  ‘পানিহাটা’, ‘তিনতরঙ্গ’, ‘মাটির অ্যান্টেনা’, ‘জলতিমির’ উল্লেখযোগ্য উপন্যাস।  লিখেছেন ছ’শতাধিক ছোটগল্প।  পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ‘বঙ্কিম পুরস্কার’, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘শরৎস্মৃতি পুরস্কার’ ও অন্যান্য সম্মাননা।  বর্তমানে ‘পরিচয়’ পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলীতে যুক্ত। আজ তাঁর  মুখোমুখি সাহিত্যিক প্রগতি মাইতি।


প্রশ্ন : মোটামুটিভাবে আমরা জানি যে, আপনি সত্তর দশকের গল্পকার। সাহিত্যে এই দশক বিভাজনে কি বিশ্বাস করেন?

সাধন : দশক বিভাজনে আমি বিশ্বাস করি না, আবার করিও। কারণ আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যকে যদি অবিচ্ছিন্ন একটি ধারা হিসেবে বিচার করি, সেই বঙ্কিমচন্দ্র থেকে আজও অবধি, যেখানে লেখকরা নানা দেশ-কালের জীবনসীমার মধ্যে যার যার অবদান রেখে গেছেন বা রাখছেন। আসলে তা একটাই সম্মিলিত প্রবাহ। সকলেই বাংলা সাহিত্যের কথাকার। টুকরাে দশকের বিভাজন এহবাহ্য। বাহুল্য মনে হয়।।কিন্তু কোনাে লেখকের সাহিত্যকর্মের বিচার মাপকাঠিতে আমরা দেখি, কীভাবে তিনি তার কাল ও সামাজিক ব্যবস্থার মধ্যে আখ্যানকে চিত্রিত করেছেন এবং কালােত্তীর্ণতায় পৌঁছে দিয়েছেন। তখন একটি বিভাজনের সমাজবিজ্ঞান ও বােধগত প্রয়ােজন উঠে আসে। বঙ্গভঙ্গ রােধ আন্দোলনের প্রেক্ষিত না জানা থাকলে ‘ঘরে বাইরে’ উপন্যাসের আলােচনা অসম্ভব। বিশ ও তিরিশের দশকের বঙ্গে বিপ্লবী আন্দোলনের সামাজিক প্রেক্ষিত জানা থাকলে চার অধ্যায়’-এর গুরুত্ব উপলব্ধি দুঃসাধ্য। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং সােভিয়েত বিপ্লবের পটভূমি ছাড়া কল্লোল’-এর লেখকদের নিয়ে কিছু মন্তব্য করা যায় কি? দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রাসঙ্গিকতা ছাড়া নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়, সমরেশ বসু, নরেন্দ্রনাথ মিত্র, জ্যোতিরিন্দ্র নন্দীদের সৃষ্টিপ্রসঙ্গ অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। তবে, প্রাক স্বাধীনতার যুগে এটা ছিল ঊনবিংশ শতাব্দী, প্রথম বিশ্বযুদ্ধ, সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ প্রভৃতি মস্ত কাল বা ঘটনার রেফারেন্সে। স্বাধীনতার পর পৃথিবী দ্রুত বদলাতে থাকলে, বস্তু ও প্রযুক্তির অসম্ভব বিকাশ-প্রবণতায়, লেখক-কবিদের সংখ্যা বৃদ্ধিতে রেফারেন্সটি দশক পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে।

প্রশ্ন : আপনি পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক ছিলেন, অথচ আপনার খ্যাতি সাহিত্যিক হিসেবে। কীভাবে সাহিত্যের প্রতি আপনার আগ্রহ জন্মাল?

সাধন : (হেসে) আমি তাে ব্যতিক্রম নই। পরশুরাম, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রেমেন্দ্র মিত্র, বনফুল থেকে একালের নারায়ণ সান্যাল, কবি বিনয় মজুমদার—অনেক নাম করা যায়। সাহিত্য ও বিজ্ঞানের স্তরে কোনাে বিরােধ নেই। তবে ব্যক্তি প্রসঙ্গে বলি, বিজ্ঞানী হওয়ার স্বপ্নে যখন হোঁচট খেলাম, শিক্ষকতার পর্বে দৈবাৎ ‘সাহেব-বিবি-গােলাম’ পড়ে বুকের ভেতর কে যেন সাড়া দিল—এ আমিও লিখতে পারি। তারপর, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মানদীর মাঝি’ পড়ে আমার সাহিত্যজীবন নির্ধারিত হয়ে গেল।


প্রশ্ন : আপনি অসংখ্য ছােটগল্প লিখেছেন, আবার আপনার উপন্যাসের সংখ্যাও কম নয়। কোনটায় আপনি বেশি সচ্ছন্দ বােধ করেন এবং কেন?

সাধন : অবশ্যই উপন্যাস লিখতে। ব্যক্তি, মানবসমাজ, গ্রহতারানক্ষত্র থেকে বিপুল বােধের অনেক অনুভবই প্রকাশের স্থান এখানে লাভ করা যায়। ছােটগল্পে অসম্ভব তা। এ যেন জাহাজ নিয়ে সমুদ্রের তীর ঘেঁষে চলা আর গভীর সমুদ্র পাড়ি জমাবার ফারাক।

প্রশ্ন : সারা পৃথিবীর যে মেরুকরণ তথা মুক্ত বাজার এবং সাম্রাজ্যবাদ ও পুঁজিবাদের বাড়বাড়ন্ত—এতে আপনি কতটা উদ্বিগ্ন? আপনার উপন্যাস বা গল্পে তার ছাপ কতটা আছে?

সাধন : মুক্ত বাজার ও মেরুকরণের মধ্য দিয়ে অবাধে মানুষের মধ্যে বাড়তে থাকে বৈষম্য। এই বৈষম্য থেকেই জন্মায় হিংসা, লােভ, ছলনা ও পীড়ন। মানবতা প্রতি মুহূর্তে লাঞ্ছিত হয়। এছাড়া মুক্ত বাজার ভােগের লালসাকে উৎসাহিত করে, সমাজের সকল সুকুমারবৃত্তি-কে ক্রমে ধ্বংস করে দিতে চায়। এজন্য আমার মনে নিয়ত যে উদ্বেগ জন্মায়, তা ভাষায় মূর্ত করতে চাই। আমার গল্প-উপন্যাসে এই বিষাদ ও উদ্বেগের সুরই ধ্বনিত হয়। তবে উচ্চকিত ভাবে নয়। নিহিত পাতালস্রোত ধরে চলতে থাকে।

প্রশ্ন : দেশ ভাগের ওপর আপনার কোন কোন গল্প বা উপন্যাস আছে?

সাধন : বাংলার দেশভাগ নিছক ১৯৪৭-এর সীমারেখায় কেবল একটি ঘটনা নয়। তখন আমার বয়স তিন বছর। তাই প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা নেই। কিন্তু বাঙালি জীবনে দেশভাগ একটি ধারাবাহিক ঘটনা। আজও চলছে। আমার প্রচুর গল্প ও উপন্যাসে ধারাবাহিকতার ছায়াকে ধরা আছে। তবে সরাসরি দেশভাগ নিয়ে ‘লেডির হাতে লালগােলাপ’ নামে বড়গল্প লিখেছিলাম এবং ধারাবাহিক পরবাস’ ছােটগল্প। পরে আমি এবং লেডির হাতে লালগােলাপ’ নামে আত্মজৈবনিক উপন্যাস লিখে চলেছি বর্তমানে—যার দু-দুটি অংশ ইতিমধ্যে পত্রিকায় প্রকাশ পেয়েছে।

প্রশ্ন : আপনার লেখায় ইতিহাস, রাজনীতি, সমাজনীতি নানা ভাবে উঠে এসেছে। আপনি কি মনে করেন যে একজন সাহিত্যিককে সামাজিক দায়বদ্ধ হতেই হবে?

সাধন : উন্মাদ ও নেশাডু ছাড়া দায়বদ্ধহীন কাউকে চোখে পড়ে? শিশু বা জরাগ্রস্তদের কথা বাদ। দেখবে, সামান্য একজন মুদি দোকানের মালিকও গােপনে খদ্দেরদের প্রতি সামান্য দায়বদ্ধতা অনুভব করে। লেখকরা তাে অতীব অনুভবশালী। সামাজিক দায়বদ্ধতা প্রশ্নে যদি তারা উৎকেন্দ্রিকও হন, জীবনের প্রতি দায়বদ্ধতার কথা শিল্পী-লেখকরা অস্বীকার করতে পারবে না। আর জীবন তাে নিরালম্ব বায়ুভূক কিছু নয়, দেশ-কালে আবদ্ধ কোনাে কোনাে সমাজে বাস করে। যিনি জীবনের কথাই বলতে চান, সমাজ-সময় এড়িয়ে থাকবেন কী করে?

প্রশ্ন : মানুষ তথা সমাজের কোন কোন দিকগুলাে আপনাকে বেশি ভাবায়—যা আপনি আপনার কথা সাহিত্যে ফুটিয়ে তােলার চেষ্টা করেন?

সাধন : মানুষের দৈনিক বর্জ্যত্যাগ ছাড়া, জীবন তার ইন্সটিঙ্কট ও কৌতুহলে যতকিছু বিষয়ে সাড়া দেয়—আসলে তা আমাকে আকর্ষণ করে। তবে বেশি গুরুত্ব দিই, যেখানে মানুষের ব্যক্তিসত্তা রাষ্ট্র, সমাজ বা ক্ষমতার বিরুদ্ধে ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া ঘটায়। আখ্যানে তাকেই রূপ দিতে চাই।

প্রশ্ন : কথা সাহিত্যে আখ্যান থাকা কি অবশ্যম্ভাবী?

সাধন : যত সূক্ষ্ম আকারেই থাক না কেন, ভারতীয় লেখকদের আখ্যানবর্জিত গল্প-উপন্যাস লেখা প্রায় সম্ভাবনাশূন্য।

প্রশ্ন : এই মুহূর্তে বাংলা কথাসাহিত্যের কোনাে সংকট কি আপনার চোখে পড়ছে?

সাধন : অবশ্যই। সাম্প্রতিক বাংলা সাহিত্য নানা প্রকার সংকটের মুখােমুখি। মূল প্রচারমাধ্যমগুলাে যাদের প্রভাবে গড়বাঙালি পাঠক সাহিত্য জগতের খবরাখবর পায়—এমন ধারার সাহিত্যকর্মকে উৎসাহিত করছে, যা কোনাে বােধের জন্ম দেয় না পাঠকের চেতনায়। অথচ, ভাষা-উপস্থাপনায় অত্যন্ত স্মার্ট, ঝকঝকে, একটানে পড়ে ফেলা যায়। ক্রাইম, সেক্স বা উন্নত প্রযুক্তির কাহিনিগুলাে পড়ে একধরনের বিনােদনের প্রােডাক্ট বা কখনাে নৈরাজ্যবাদকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। সাধারণ পাঠক সাহিত্য হিসেবে ওগুলােই গলাধঃকরণ করতে বাধ্য হচ্ছে এবং মন্তব্য করছে, সাহিত্য আগের মতাে হচ্ছে না। ইংরেজি মাধ্যমে শিক্ষা, পাঠক স্বল্পতা, বিনােদনের নানা উপকরণ ইত্যাকার নানা কারণের মধ্যে আমি উপরােক্ত কারণটিকে বেশি বিপদের মনে করি।

প্রশ্ন : বাংলা কথাসাহিত্যে অণুগল্প এখন খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আপনারও বেশকিছু অণুগল্প পড়ে আমরা ঋদ্ধ হয়েছি। সাহিত্যে অণুগল্পের প্রাসঙ্গিকতা কতখানি বলে আপনি মনে করেন?

সাধন : আমার ধারণায় কয়েক দশক ধরেই অণুগল্প পাঠকের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। শুধু জনপ্রিয়ই নয়, প্রাসঙ্গিকও বটে। কারণ হিসেবে আমি অনুভব করি, সমাজ-জীবনে প্রযুক্তি যত জাঁকিয়ে বসবে, অণুগল্প মানুষের কাছে জরুরি হবে। অণুগল্পের ধর্মের মধ্যেই পাঠকের উপলব্ধতার জন্য বিশ্লেষণী মগজ দরকার হয়। গল্পের রসে বা কাব্যধর্মীয়, যা তেমন ক্ষুরধার না হলেও চলে। প্রযুক্তির দুই বিশিষ্ট গবেষক, আমেরিকার ডেভিড র্যান্ট ও কানাডার গর্ডন পেনিকুর বলছেন, “...সােশ্যাল মিডিয়ার ব্যাপক ব্যবহারে মগজ অলস হয়ে যাচ্ছে। মানুষ আর চিন্তা-ভাবনা, যুক্তি-তর্ক নিয়ে কোনাে খবরের বা বার্তার বিচার করতে চাইছে না। এই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে আমজনতার বিশ্লেষণী মগজাস্ত্রে শান দেওয়া জরুরি। যেহেতু অণুগল্প জীবন-সমাজ-রাজনীতি-সময় সম্পর্কে বার্তানির্ভর, জীবনের ধর্মেই মানুষ অণুগল্পে মগজাস্ত্র শান দিতে উৎসাহ বােধ করবে।

প্রশ্ন : অণুগল্প ছাড়াও অণুকবিতা লেখা হচ্ছে। সামগ্রিকভাবে অণুসাহিত্য নিয়ে আপনার মতামত যদি একটু বলেন।

সাধন : আশা করি, আমার পূর্ববর্তী জবাবের মধ্যেই মতামতটি পেয়ে যাবে।

প্রশ্ন : আপনাকে যতটুকু চিনি বা জানি, তাতে দেখেছি আপনি তথাকথিত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের দাক্ষিণ্য ছাড়াই স্বনামধন্য কথাকার হিসেবে বাংলা সাহিত্যে একটা স্থান করে নিয়েছেন। আপনার এই লড়াই বা মানসিকতা সম্পর্কে বললে আমরা ঋদ্ধ হতাম।

সাধন : আমার সমকালীন এক বন্ধু-লেখক হাসতে হাসতে বলেছিল, সাধনদা, আপনি চিরকাল ছােটমাঠে খেলে গেলেন। কথাটা নিয়ে বহুদিন একাকী ভেবেছি। বন্ধু, ছােট মাঠ-বড় মাঠ বলতে কী বলতে চাইছে খুবই স্পষ্ট। খুব যে অতিরঞ্জিত বলছে বা ঠেস দিতে চাইছে—এ-ও নয়। তবু, বড় মাঠ’-এ খেলতে যাইনি। বড় মাঠে বড় বড় কর্তারা থাকেন—তাদের কাছে প্রার্থী হতে মন চায়নি। এটা আমার বরাবরের স্বভাববিরুদ্ধ। আমি ক্ষমতার মনরক্ষা করে কথা বলতে পারি না। ভাষাটাই রপ্ত হয়নি। অথচ জেদ, আত্মধর্ম রক্ষা, ক্রমাগত নিজেকে পরীক্ষা দেওয়ার বাসনা এবং লেখক হয়ে ওঠার চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছনাের অদম্য অপেক্ষা মনের গােপনে লালন করে চলি। বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান এসব স্বভাব-ধর্মকে উৎসাহিত করে না। তারা আনুগত্য পছন্দ করে। পরিস্থিতি অনুসারে বদলানাের কৌশলকে উৎসাহিত করে। কোনাে ইতিবাচকতার বদলে নৈরাজ্যকে চায়। আমি এসবের কোথাও অবস্থান করি না। চোখ উল্টে ফেলা স্বভাবকে ঘৃণা করি। তাই যখনই নিজের খ্যাতিটুকুর জন্য এক ক্ষুরে বহু মাথা মুড়ােনাের আনুষ্ঠানিকতা দেখি—নিজেকে বিচ্ছিন্ন রাখি। জানি, এসব মানুষদের ঠাই জোটা মুশকিল। তাই সারাজীবন একটু একটু করে নিজেকেই নিজে উতরে যাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

প্রশ্ন : সাম্প্রতিক লিটল ম্যাগাজিনের গুণগত মান কতটা বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করছে বলে আপনি মনে করেন?

সাধন :আজ শিক্ষায়তনিক বিদ্যায় লিটল ম্যাগাজিনের গুরুত্ব খুবই বৃদ্ধি পেয়েছে। গত দশ বছরে উৎকৃষ্ট যেসব উপন্যাস, গল্প, কবিতা বা প্রবন্ধ লেখা হয়েছে—সিংহভাগের বেশি লিটল ম্যাগাজিনে। সুতরাং মান যে উন্নত হয়েছে, অস্বীকার করা যায় না। তবে নতুন নতুন সংকট দেখা যে যাচ্ছে না—তা বলা যাবে না। সে প্রসঙ্গ যদিও ভিন্ন।

প্রশ্ন : তরুণ কবি-সাহিত্যিকদের কাছ থেকে একজন প্রবীণ কথাকার হিসেবে আপনি কী প্রত্যাশা করেন?

সাধন : আপাতত, তরুণ লেখকদের কাছে তিনটি ধর্ম প্রত্যাশা করি। ১। প্রচুর পরিমাণে সমসাময়িক অন্যান্যদের লেখা পড়া। ২। একটু সাফল্যেই নিজেকে স্বয়ম্ভু ভেবে না বসা। ৩। কোনাে পরিস্থিতিতেই নৈরাজ্যকে মদত না দেওয়া।

প্রশ্ন : আপনাকে ধন্যবাদ মূল্যবান সময় দেওয়ার জন্য।

সাধন : তােমাকেও। ইসক্রা এবং নিজের ব্যক্তিগত সাফল্য ক্রমাগত বৃদ্ধি পাক—এই প্রত্যাশা করি।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন