রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২০

কৌশিক রঞ্জন খাঁর গল্প : বেডকভার



                                   
আমার আবাসনটা উত্তরবঙ্গের এই ছোট্ট শহরটার একেবারে প্রাণকেন্দ্রে। আমার ব্যালকনি কিংবা জানালায় দাঁড়ালে আস্ত শহরটা চায়ের চুমুকে উঠে আসে । ভালো করে দেখতে জানলে কত মুচমুচে ঘটনা থেকে মূষরে দেওয়া ঘটনা চোখে পরে। আমি নজর না করলেও দেখে ফেলি কাদের ঘর থেকে কলেজ পড়ুয়া প্রাইভেট টিউটর বেরোনোর আগে তার ক্লাস টেনে পড়া ছাত্রীর গালে আচম্বিতে আলতো ঠোঁট ছুঁইয়ে যায় অথবা বোসবাবুর গিন্নী পরিপাটি করে সেজেগুজে বাপেরবাড়ি গেলে কেন কাজের ঝি ঢুকলে তাদের সমস্ত জানালাগুলো সময়ে অসময়ে বারে বারে খোলা-বন্ধ হয়।
 এই ক্যাম্পাসে গল্প ও কথারা হাওয়ায় হাওয়ায় ঘুরে বেড়ায় । সেগুলি সচরাচর সত্যাসত্যের তোয়াক্কা করে না । কোন ঘরে নতুন ফার্নিচার ঢুকলে মুখে মুখে কথা ঘোরে – অমুকবাবুর তো এখন টেবিলের উপরের চেয়ে নিচ দিয়েই বেশি আসছে । কোন ঘর থেকে কোন কারনে পুরনো ফার্নিচার বের হলে শোনা যায় – দ্যাখো হয়তো লোনে ফেঁসে আছে !
আমাকে মাঝে মাঝে তুন্তাইএর অনেকানেক উল্টোপাল্টা প্রশ্নের সম্মুখীনও হতে হয় না যে তা নয়। এই যেমন সেদিন চড়কের মেলা থেকে একটা হাওয়ায় ঘুরতে থাকা রঙিন কাগজের ঘূর্ণি কিনে ফিরছিলাম। চারতলার ঘরের নতুন আসা রিয়া কার সাথে যেন অন্ধকার সিঁড়ির কোনটি বেছে নিয়ে লেপ্টে ছিল । তুন্তাই অবাক হয়ে তাকিয়ে থেকে বলে উঠেছিল –
 বাবা,রিয়াদিদি তো কোয়েলের মত হয়ে আছে , ওটা কে বাবা , দেব ?
আমি কোন উত্তর না দিয়ে তুন্তাইয়ের ছোট্ট হাত ধরে সিঁড়ি দিয়ে উঠে আসছিলাম । তুন্তাইয়ের কথা ওদের কনফিডেন্স বাড়িয়ে দিয়েছিল । আমি স্পষ্ট শুনেছিলাম ছেলেটি বলছে –
 দেখি , এবার দেবের মত করে ! রিয়া বলেছিল এই না না নন্দীকাকু দেখে ফেলেছে !
সেদিন অন্যমনস্কতার মধ্যেও নজর কাড়লো ঘটনাটি। আমার তিনতলার সরকারি আবাসনের জানালা  থেকে রাস্তার ধারে একটা লন্ড্রি দেখা যায়। এখানে এসে থেকেই দেখে আসছি সক্কাল সক্কাল ভুতু এসেই সাইকেলের কেরিয়ার থেকে ঢাউস ব্যাগ নামিয়ে উনুনে কয়লা গুঁজে দেয় । তারপর দোকানের আসেপাশে ঝাট দিয়ে মুখে একটা বিড়ি গুঁজে ব্যাগ থেকে রাজ্যের দোমড়ান              
মোচড়ান জামাকাপড় নামিয়ে ধীরে সুস্থে ইস্ত্রি শুরু করে ।প্রথমে ওর হাত একটু আস্তেধীরেই চলে।তারপর একবার হাত চালু হয়ে গেলে ইস্ত্রির স্পীড বেড়ে চলে । অন্যদিন যাইহোক রোববার এলে ভুতুর দোকানে একের পর এক লোক আসতেই থাকে ।
জানালা থেকে লন্ড্রিটা  দেখতে দেখতে কি ভাবে যেন ভুতুর সাথে আমার একটা সম্পর্ক হয়ে যায় । আমি কোনদিন দেখিনি ভুতু আমার জানালায় তাকিয়ে দেখেছে । হয়ত আবাসনের গেট দিয়ে বেরতে ঢুকতে দেখতে দেখতে আমি ভুতুর চেনা হয়ে যাই ।  ওই লন্ড্রিটাতে সচরাচর জামাকাপড়, শাড়িই আয়রন হতে দেখেছি। বেশির ভাগ খদ্দের আবাসনের হলেও বাইরে থেকেও প্রচুর কাস্টমার আসে ভুতুর লন্ড্রিতে। খুব আলাপি না হলেও ভুতু কি অদ্ভুত দক্ষতায় সুন্দর রিলেশন মেইনটেইন করতে পারে । সেই কারনে ভুতুর হাত কখনো থেমে থাকে না ।
সেদিন পারমিতা খুব খেটেখুটে মোগলাই বানিয়েছিল । রোববারে টিফিনে এই ধরনের কিছু বাড়তি পাওনা জুটেই যায় কখনো সখনো । আসলে ওটা ছিল একটা এক্সপেরিমেন্ট । এই আবাসনগুলোর একটা ক্যারেক্টার হচ্ছে একে অন্যকে প্রভাবিত করা । ডি ব্লকের আমার অফিস কলিগ অমিত সেন এর ওয়াইফ এসে সেদিন গল্প দিয়ে গেছিল – রোববারে ওনার কর্তার নাকি স্পেসাল টিফিন না হলে চলে না । লুচি-আলুরদম , মোগলাই, আলুপরটা কিছু একটা লাগেই । ব্যাস , তা শুনে ম্যাডাম হুকুম করলেন –
এই কাল কিছু ময়দা আর কটি ডিম এনো না গো! ভাবছি কাল তো সানডে , টিফিনে মোগলাই করবো ।
 যদিও বুঝেছিলাম এটা সকালের ডিপোজিট মাত্র , সারাদিনে সময় সুযোগ মত ঠিক এনক্যাস করে নেওয়া হবে ।
হাতে ধোঁয়া ওঠা মোগলাই এর প্লেটখানা ধরে জানালায় এসে দাঁড়িয়েছি , তখনই নজর গেল ভুতুর লন্ড্রিতে । একটা বেডকভার, দুটো পিলো কভার ইস্ত্রি হতে এই প্রথম দেখলাম।আমি আহামরি কেউকেটা না হলেও তো বি সি এস, সি গ্রুপের স্ট্যাটাস হোল্ড করি। বেতন অন্যান্যদের তুলনায় খুব কম যে পাই তাও না। আমার পক্ষেও এই বিলাসিতা দেখান প্রায় অসম্ভব। এটাও সম্ভব !! মানুষের বিলাসিতা কিংবা পয়সা কতটা  উত্তাল হলে এটা হতে পারে ! ভাবতে ভাবতে প্লেট কখন খালি হয়ে গেছে খেয়ালই করিনি । ওই বেডকভার ইস্ত্রি হতে দেখে আমি এতটাই শকড হয়ে গেছিলাম যে বুঝতেই পারলাম না পারমিতার হাতের তৈরি প্রথম মোগলাইএর স্বাদ কেমন ছিল !
-খেলে ? কেমন হয়েছে গো খেতে ? পারমিতা বেশ নেকু গিন্নির মত জিঞ্জেস করে । আমি দায়সারা গোছের একটা উত্তর দিয়ে কাজ সারলাম । পারমিতা তাতেই উৎসাহ পেয়ে গিয়ে বলে , আগামী রোববার অন্যকিছু করব । আমি মুখে হু বলে একটা প্রাথমিক সম্মতি জানালাম ঠিকই কিন্তু আমার চোখটা ভুতুর লন্ড্রিতেই আটকে । আজকে এই বেডকভার ইস্ত্রির ঘটনা আমার মাথাটা কেমন যেন করে দিয়েছে । সপ্তাহের সার্ট প্যান্ট , তুন্তাইয়ের স্কুলড্রেস আর পারমিতার দামি শাড়ি ছাড়া আর তো কিছুই ইস্ত্রি করা হয় না ! আর এই মফস্বল শহরের লোকজন বেডকভার ইস্ত্রি করাচ্ছে !
কিছুদিন আগে পারমিতা কাজের মেয়েটিকে বলছিল , মালা কাপড়চোপড় গুলো কাচা হয়ে গেলে ভালোগুলো ব্যাল্কনিতে মেলবি আর বাড়িতে পরার গুলো পেছনের জানালায় মেলবি । ছাদে মেলতে গেলে খারাপ জামাকাপড় কখনই নিয়ে যাবি না , বুঝেছিস ।
আমি পরে জিঞ্জেস করে জেনেছিলাম এই হাউজিং কমপ্লেক্সে এটাই নাকি চল ! অনেকেই আছে প্রয়োজন না থাকলেও দামি শাড়ি ব্যাল্কনিতে রোদে দেওয়ার নামে ডিসপ্লে করে । সেই কারনে সেদিন মিসেস মিত্র কে পারমিতার কাছে  বলতে শুনেছিলাম,
  শাড়িটা জবরজস্ত ! এবারের পুজোয় নিয়েছেন নাকি !
 পারমিতা তো আকাশ থেকে পরার ভঙ্গি করে বলল , ওমা ! এই শাড়িও পুজোর মনে হচ্ছে ? মাই গড ! এটা তো তুন্তাইয়ের অন্নপ্রাশনে নিয়েছিলাম । প্রচুর শাড়ি জমে আছে জানেন আলমারিতে । পরাই হয়না । তাই বের করে নিয়েছি এখানে ওখানে গেলে পরব  বলে । আমি ঘর থেকে খুব হেসেছিলাম পারমিতার কথা শুনে  । কেননা শাড়িটি গত কয়েকমাস আগেই কেনা হয়েছিল এক রিলেটিভের বিয়ে উপলক্ষে ।
বেডকভার ইস্ত্রির ঘটনাটি পাক্কা একটা সিগারেট খেয়ে নিল। আজ রোববার,  ভেবেছিলাম দুপুরে পাঠার মাংস - ভাত খাওয়ার পর ডাউনলোড করা মুভিটা দেখতে দেখতে পরিপাটি করে টানা যাবে। বয়স চল্লিশ পেরিয়েছে । সিগেরেটটা হিসেব করেই খাই এখন ।
ব্যাল্কনিতে কিছু শখের গাছ বসিয়েছি টবে । রোববার , সপ্তাহের জমানো চায়ের পাতা টবে দেব বলে ব্যাল্কনিতে এসেছি । একটা সুন্দর দৃশ্য চোখে পড়ল । গভমেন্ট কোয়াটারের বাউন্ডারির বাইরেটায় কিছু বাড়ির ছাদ চোখে পড়ে । একটা বাড়ির ছাদে বয়স্ক মাসিমা গোছের এক ভদ্রমহিলা ডালের বড়ি দিচ্ছে । বেশ পরিপাটি করে বসেছে । রোদ থেকে বাঁচতে মাথায় বড় করে ঘোমটা দিয়েছে । আহা ! আমার সেই শৈশবের দিনগুলিতে ফিরে যাচ্ছি যেন । আমার মামাবাড়ি উত্তরবঙ্গেরই এক গ্রামে  । দিদা এভাবেই ডালের বড়ি , সাবুর পাপড় দিতেন রোদে বসে । কাছে গেলে কতনা খুশি হতেন। কতরকম গল্প করতেন বড়ি দিতে দিতে । তারপর একসময় যখন খেয়াল হত অনেকক্ষণ রোদে বসে আছি , তখন ব্যস্তসমস্ত হয়ে বলতেন – যা ভাই , রোদ লেগে জ্বর আসবে , ছায়ায় গিয়ে বোস ।
  তুন্তাইকে আঁকা শেখার স্কুলে ছেড়ে পারমিতা আবৃত্তির ক্লাসে যাবে। অর্থাৎ দুপুরগড়ানো বিকেল থেকে সন্ধ্যে পর্যন্ত আমি একক । ব্যাল্কনিতে তখন রোদ থাকেনা । তাহলে “ হান্ড্রেড ইয়ারস অফ সলিচিয়ুড” টা পড়ে আজই শেষ করা যাবে । আমি মুক্তির আনন্দে দৃষ্টিটা একটু এদিক ওদিক ফেরাতেই কত সুন্দর সুন্দর দৃশ্য দেখে ফেলতে লাগলাম।
কোয়াটারের কোন কোন ঘর-বারান্দায় ঝুল ঝাড়া চলছে । অল্প বয়সী বউ মাথায় কাপড় পেঁচিয়ে টুলের টঙ্গে উঠে ঝুল ঝাড়লে তার কর্তাটির কি টেনশন কি টেনশন! যেন টি-টুয়েন্টি ম্যাচ চলছে ।  বল মাটিতে পড়ার আগেই লুফে নিতে হবে । আজ ছাদ্গুলোতে জামাকাপড়ে ভরে আছে । দুরের বাড়িগুলো যেন নেয়ে খেয়ে একটু জিড়িয়ে নিচ্ছে । এই সুযোগে হয়তো দিনের কাজ সাড়া হয়েছে বলে কাঁধে একরাশ শুকনো জামাকাপড়ের বোঝা নিয়ে পাশাপাশি দুই বাড়ির গিন্নি ছাদের কোনে দাঁড়িয়ে একটু গল্প সেরে নিচ্ছে । তাদের কর্তারা নিশ্চই দিবানিদ্রায় গেছেন। বিকেল কিংবা সন্ধ্যেয় বাইকের পেছনে বসিয়ে কোথাও ঘুরতে নিয়ে যাবেন ।
পারমিতা তুন্তাইকে নিয়ে বে্রলে  আর নিজেকে ঠিক ধরে রাখতে পারছিলাম না । ডাউনলোড করা মুভি , হান্ড্রেড ইয়ারস অফ সলিচিয়ুড – কোন কিছুতেই যেন মন বসাতে পারছিলাম না। কি যেন হচ্ছেনা , কি যেন পারছিনা – কেবলই মনে হচ্ছে । বি-ব্লকের  এস্টাব্লিসমেন্ট সেকশনের বড় বাবু তার চেড়ি কালারের জাইলো গাড়িটা দুপুরেই ঘষে মেজে চকচকে করেছে । কয়েকবার স্টার্ট দিয়ে ব্যাটারি পারফরমেন্সটাও দেখে নিয়েছে । এখন এই বসন্তেরও সন্ধ্যাবেলায় এধার-ওধারের গা-গঞ্জ থেকে একটু ঘুরে আসবে। কিন্তু এই বড় বড় ব্যাপারের কাছে তো নেহাতই আমি তুচ্ছ । সরকারি চাকুরী করে ওরম জম্পেস একটা গাড়ি করতে পারা আমার কম্ম নয় ।তাহলে সকাল থেকে দাঁতের ফাঁকে মাংসের কুচি লেগে থাকার মত কোন ব্যাপারটা আমাকে স্বস্তি দিচ্ছে না – এটা ধরতে পেরেও অবুঝের মত আমি বুঝতে চাইছি না । জাইলো গাড়ি নয় , আসলে আমি সকাল থেকে ওই বেডকভারের কাছেই হেরে আছি ।
  আমি ব্যাপারটার ছানবিন করতে নিচে নেমে এলাম। লন্ড্রির ভুতুর কাছ থেকে কেসটা আমায় জানতেই হবে।দেখলাম নিরিবিলিতে ভুতু পায়ের কাছে মশামারার ধুপ জ্বালিয়ে স্থিতপ্রঞ্জ হয়ে স্লো- মোসানে তখনো লন্ড্রির পিচে ব্যাট করে যাচ্ছে । তবে ভাবগতিক দেখে মনে হচ্ছে আর কিছুক্ষণের মধ্যেই ইনিংস ডিক্লিয়ার দিয়ে পিচ ছেড়ে যাবে । আমিও দেখলাম আমাকেও স্ট্রেট ব্যাটেই খেলতে হবে । ইনিয়ে বিনিয়ে সময় নষ্ট করে লাভ নেই । এসে ভুতুকে প্রশ্নটা করবো  করবো করতে যেতেই দেখলাম - এক ভদ্রলোক এসে বলছেন, হয়েছে ? ভুতু ইস্ত্রিটা চালাতে চালাতেই বলল, আপনার তো বেলা বারটায় আসার কথা ছিল । এই নিন । জানালা থেকে দেখা সেই বেডকভারটা পেপারে মুড়ে ভদ্রলোককে দিলে ভদ্রলোক তা নিয়ে একটা কুড়ি টাকার নোট ভুতুর হাতে দিয়ে চলে গেলেন। আমি অবাক হলাম এই ভেবে যে, ভদ্রলোককে ততটা সফিস্টিকেট নন যতটা হলে বেডকভার ইস্ত্রি করা যায়।
তাহলে ব্যাপার একটা কিছু আছে নিশ্চই ! আমি এই ঘটনার কথা জানিয়ে যাকেই কিছু জিজ্ঞেস করেছি তারা বেশিরভাগই জানিয়েছে –লোকটি নির্ঘাত ওই বেডকভারটি প্যাক করে কোথাও নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে যাবে, নইলে মেয়েকে পাত্রপক্ষ দেখতে আসবে। আমি দুটো সম্ভাবনাই মেনে নিয়েছিলাম।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত ব্যাপারটা সেই জায়গায় দাঁড়ায়নি।কেন না লোকটি কে বেডকভার আয়রন করাতে প্রতি রোববারেই নিয়মিত আসতে দেখা গেছে এর পরেও।  এবং ওই রকম আরও বেশ কিছু সংখ্যক মানুষ আছেন যারা কোন কারণ ছাড়াই পাড়ার ভুতুর দোকানে রোববার রোববার বেড কভার ইস্ত্রি করাতে আসেন।কেউ তারা এই আবাসনের কেউবা বাইরের । ভুলটা আমারই। কেননা রোববার বেশিরভাগ মানুষই একটু অন্য রকম হয়ে যায়। একথা দিনের পর দিন রোববারের পর রোববার জানালায় দাঁড়িয়েও আমি বুঝতে পারিনি।
এরপর কোন এক রোববারে পরদিন সোমবার ভাবতে ভাবতে আমি  শার্ট- প্যান্ট নিতে ভুতুর লন্ড্রিতে গিয়েছিলাম । সেদিনও কোন কোন বেডকভার ইস্ত্রি করাতে দেওয়া লোক ছিল হয়তো । আমি তো ব্যাপারটা মেনেই নিয়েছিলাম কাজেই ও নিয়ে আর মাথা ঘামানোর প্রয়োজন অনুভব করিনি। কিন্তু সেদিন ভুতু আমার শার্ট –প্যান্ট পেপারে মুড়ে দিতে দিতে বলেছিল – বউদি সকালে তিনটে বেডকভারও দিয়ে গিয়েছিল । হয়ে গেছে । দিয়ে দিলাম ।

1 টি মন্তব্য: